ছোটবেলা থেকে মা-বাবা রা যে খাবারটি খাওয়ানোর জন্য আমাদের পিছে সবচেয়ে বেশী ছোটাছুটি করত সেটা নিঃসন্দেহে দুধ ই বটে। জীবনের প্রায় প্রতিটি ধাপেই দুধ আমাদের সুস্বাস্থ্যের জন্য সুপারফুড হিসেবে কাজ করে এসেছে।  বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সুপারিশ অনুসারে, একজন ব্যক্তির প্রতিদিন ২৫০ মিলিলিটার দুধ খাওয়া উচিত, যা প্রতি বছর জন প্রতি দ্বারায় প্রায় ৯০ লিটার এর কাছাকাছি। বর্তমানে, বাংলাদেশে একজন ব্যক্তি প্রতিবছর প্রায় ১৬.৫ লিটার দুধ ব্যবহার করে থাকে। বাংলাদেশে দুধের জনপ্রিয়তা কমার অন্যতম একটি কারন হলো তাতে ব্যবহৃত ভারী পরিমাণে প্রিজারভেটিভ ও কেমিক্যাল। ন্যাশনাল ফুড সেফটি ল্যাবরেটরি দ্বারা পরিচালিত গবেষণায় দেখা গেছে যে তাদের পরীক্ষা করা সমস্ত দুধ এর নমুনার ৯৬ শতাংশের মধ্যে সীসা এবং অন্যান্য টক্সিন সহ মাইক্রোবিয়াল দূষক উপ্স্থিত ছিল।

খাঁটি এবং নিরাপদ কাঁচা দুধ

আইসিডিডিআরবির এক সাম্প্রতিক গবেষণায় প্রায় ৭৭ শতাংশ পাস্তুরিত দুধের নমুনায় উচ্চ মাত্রায় ব্যাক্টেরিয়া পাওয়া গিয়েছে যা বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন বা বিএসটিআই মানগুলির গ্রহণযোগ্য সীমার বাইরে। ডাক্তারদের মতে এই মাত্রায় প্রিজারভেটিভ ও কেমিক্যাল এর ব্যবহার লিভার ও কিডনী সংক্রান্ত ঝুঁকি, এমনকি ক্যানসার এর সম্ভাবনা ও অনেকাংশেই বাড়িয়ে দেয়। তাই Smartগোয়ালা নিয়ে এসেছে এমন দুধ যা থাকবে প্রিজারভেটিভ ও কেমিক্যাল মুক্ত। দৈনিক, সাপ্তাহিক এবং মাসভিত্তিক ৬ টি রুটিন ল্যাব টেস্ট এর মাধ্যমে Smartগোয়ালা এর বাজারজাতকৃত কাঁচা দুধ যে বিশুদ্ধ এবং নিরাপদ তা নিশ্চিত করা হয়। যে সকল গাভী থেকে এই দুধ সংগ্রহ করা হয়, সেসব গাভী সংক্রামক ব্যাধী যেমন ব্রুসেলোসিস এর জীবাণুমুক্ত। বাছাইকৃত প্রান্তিক খামারি ও Smartগোয়ালা এর তালিকাভুক্ত গাভী থকে দৈনিক ভিত্তিতে এই দুধ সংগ্রহ করা হয় এবং তাই দুধের উৎস শনাক্ত ও সন্ধানযোগ্য।

“আপনাদের সুস্বাস্থ্য আমাদের দায়িত্ব

আপনাদের আস্থা আমাদের অনুপ্রেরণা”