রেসিপি

দুধের শরবত

যা যা লাগবেঃ

  • দুধ ৩ কাপ
  • কাজু বাদাম ১ চা চামচ
  • কাঠ বাদাম ১ চা চামচ
  • পেস্তা বাদাম ১ চা চামচ
  • জাফরান ১ চিমটি
  • কর্ণ ফ্লাওয়ার ১ চা চামচ

রন্ধন প্রনালিঃ

একটি পাত্রে দুধ নিয়ে তার মধ্যে কাজু, কাঠ, পেস্তা বাদাম এর পেস্ট আর জাফরান দিয়ে নাড়তে হবে। দুধ একটু ঘন হয়ে আসলে আর বলক উঠলে এর মধ্যে কাজু, কাঠ, পেস্তা বাদাম কুচি আর এক চামচ কর্ণ ফ্লাওয়ার এর সাথে একটু ঠাণ্ডা দুধ মিশিয়ে মিশ্রণ টি দুধে ঢেলে দিতে হবে। হাল্কা নেড়ে নামিয়ে ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে পরিবেশন করতে হবে।

ঠাণ্ডাই রেসিপি

যা যা লাগবেঃ

  • দুধ ৩ কাপ
  • এলাচ ৪ টা
  • গোল মরিচ ১ চা চামচ
  • দারুচিনি ছোট ১ টুকরা
  • কাঠ বাদাম ২০/২৫ টা
  • কাজু বাদাম ২০/২৫ টা
  • মৌরি ১ টেবিল চামচ
  • পোস্ত দানা ১ টেবিল চামচ
  • চিনি ১/৪ চামচ
  • গোলাপ জল ১ চা চামচ

রন্ধন প্রনালিঃ

দুধ, চিনি, গোলাপ জল ছাড়া সব উপকরন একসাথে ব্লেন্দ করে একটি মিশ্রণ তৈরি করে নিতে হবে। একটি পাত্রে দুধ নিতে হবে। দুধে চিনি মিশিয়ে ৩ কাপ দুধ কে ২ কাপ করতে হবে। দুধ ঘন হয়ে আসলে মিশ্রণটির ৩ চা চামচ দুধে মিশিয়ে দিতে হবে। এরপর গোলাপ জল দিয়ে নেড়ে নামিয়ে ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে পরিবেশন করতে হবে।

দুধ-আমের সন্দেশ

দুধ-আমের সন্দেশ

যা যা লাগবেঃ

  • গুঁড়ো দুধ-১ কাপ
  • আমের পিউরি-২ টেবিল
  • চামচ
  • ঘি -২ টেবিল চামচ
  • তরল দুধ- ১/৪ কাপ
  • চিনি -আধা কাপ

রন্ধন প্রনালিঃ

-প্রথমে চুলায় একটি প্যান বসিয়ে তার মধ্যে আধা কাপ চিনি ও ১/৪ কাপ পরিমাণ তরল দুধ ঢেলে নেড়েচেড়ে নিতে হবে। চুলার জ্বাল হালকা আঁচে রেখে চিনি সম্পূর্ণ গলিয়ে নিতে হবে দুধের মিশ্রণে।

-চিনি সম্পূর্ণ গলে গিয়ে দুধ ফুটতে শুরু করলে উঠলে এর মধ্যে এক কাপ পরিমাণ গুঁড়ো দুধ মিশিয়ে দিন। অল্প আঁচে অনবরত নেড়ে গুঁড়ো দুধ ভালো করে চিনি ও দুঁধের মিশ্রণে মিশিয়ে নিতে হবে। যতক্ষণ না গুঁড়ো দুধ একেবারেই  দলা না বেঁধে সম্পূর্ণ মিহি অবস্থায় মিশে যাবে; ততক্ষণ নাড়তে হবে।

-এরপর মিশিয়ে দিতে হবে ২ টেবিল চামচ পরিমাণ ঘি। ভালো করে ঘি দুধ চিনির মিশ্রণে মিশিয়ে নিতে হবে। এসময় চুলার জ্বাল একটু বাড়িয়ে দিয়ে অনবড়ত নাড়তে হবে। যখন দেখবেন মিশ্রণটি একেবারে ঘন হয়ে এসেছে এবং প্যানের গা ছেড়ে উঠে আসছে, তখন এর মধ্যে মিশিয়ে দিতে হবে ২ টেবিল চামচ আমের পিউরি।

-এবার পুরো মিশ্রণটি আরও একটু ঘন না হওয়া পর্যন্ত ক্রমাগত নাড়তে হবে। যখন দেখবেন সন্দেশের মিশ্রণটি একেবারেই ঘন হয়ে গেছে; তখন তা নামিয়ে নিন। একটি পলিথিনের মধ্যে মিশ্রণটি ঢেলে মুড়িয়ে রাখুন, যাতে ঠান্ডা না হয়ে যায়।

-কয়েকটি বিভিন্ন নকশার প্লাস্টিকের পিঠার ছাঁচ নিয়ে নিন। এবার হাতে সামান্য ঘি লাগিয়ে পলিথিনে রাখা সন্দেশের মিশ্রণ সামান্য করে হাতে নিয়ে পিঠার ছাঁচে চাপ দিয়ে বসিয়ে নিন। তারপর পিঠার ছাঁচ থেকে সরিয়ে একটি বাটার পেপার প্লেটে ছড়িয়ে তার উপর সন্দেশগুলো একেক করে রাখুন। কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখবেন, সন্দেশগুলো ঠান্ডা হয়ে শক্ত হয়ে গেছে।

ক্যারামেল পুডিং

ক্যারামেল পুডিং

যা যা লাগবেঃ

  • ডিম- ২ টি

  • চিনি – ৩/৪ কাপ

  • দুধ – ১ কাপ

  • ভ্যানিলা এসেন্স – ১/২ চা চামচ

     

রন্ধন প্রনালিঃ

-১/৪ কাপ চিনি ও ১ টেবিল চামচ পানি দিয়ে চুলায় ব্রাউন করে নিয়ে ক্যারামেল তৈরি করুন। পুডিং যে পাত্রে বসাবেন সেই পাত্রে ক্যারামেল ঢেলে ঠান্ডা করে সেট করে নিন।
-অন্য পাত্রে ডিম ও বাকি চিনি নিয়ে কাটা চামচ দিয়ে খুব ভাল করে ফেটে নিন। এরপর দুধ দিয়ে মিশিয়ে নিন। সাথে ভ্যানিলা এসেন্সও মিশিয়ে নিন। চাইলে ভ্যানিলা এসেন্স বাদ দিতে পারেন বা এর পরিবর্তে এলাচের গুড়াও ব্যবহার করতে পারেন। এবার যে পাত্রে ক্যারামেল বসিয়েছেন সেই পাত্রে মিশ্রণটি একটি ছাকনির সাহায্যে ছেকে নিয়ে সাবধানে ঢেলে দিন।
-চুলায় একটি বড় পাত্রে ২ কাপ পানি দিয়ে জ্বাল করুন। পানি ফুটতে শুরু করলে একটি স্ট্যান্ড বসিয়ে পুডিং-এর পাত্রটি তার উপর বসিয়ে ঢাকনা দিয়ে একদম অল্প আঁচে রান্না করুন। ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট পর একটি টুথপিক দিয়ে চেক করুন। যদি টুথপিক পরিষ্কার বের হয় তাহলে নামিয়ে ফেলুন। না হলে আরও কয়েক মিনিট বেক করতে হবে। এরপর পুডিং নরমাল তাপমাত্রায় এনে ঠান্ডা করে নিয়ে ফ্রিজ-এ রেখে দিন ২ ঘন্টার জন্য। ২ ঘন্টা পরে সাবধানে পাত্র থেকে বের করে নিয়ে পছন্দমত শেপে কেটে পরিবেশন করুন।

পায়েস

পায়েস

যা যা লাগবেঃ

  • পোলাও এর চাল -১০০ গ্রাম

  • দুধ – ১ লিটার

  • পরিমাণমতো ঘি

  • পরিমাণমতো চিনি

  • কাজুবাদাম ও কিশমিশ

  • দু’টো তেজপাতা

  • এক চামচ ছোট এলাচ গুঁড়ো বা ৩/৪ টি এলাচ

রন্ধন প্রনালিঃ

-সর্বপ্রথমে একটা পাত্রে চাল নিয়ে ভিজিয়ে রেখে দিন এক ঘণ্টা। তারপর ভাল করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে নিন।
-এরপর কড়াইতে ঘি গরম করে তাতে কাজুবাদাম, কিশমিশ ও তেজপাতা দিয়ে হালকা করে ভেজে তুলে নিতে হবে।
-এবার কড়াইতে দুধ ঢালুন। জ্বাল দিয়ে ভালো করে দুধ ঘন করে নিন। দুধ ফুটে উঠলে তাতে চাল দিয়ে দিন। কিছুক্ষণ পর পর চামচ দিয়ে নাড়তে হবে, যাতে পাত্রের তলায় বসে না যায়।
-তারপর তাতে তেজপাতা ও এলাচ গুঁড়ো দিয়ে নাড়তে থাকুন।
-চাল সেদ্ধ হলে চিনি দিয়ে ভাল করে নাড়ুন। চিনি আগে দিয়ে দিলে চাল সেদ্ধ হতে চায় না।
-নামানোর আগে ওপরে কাজু, কিশমিশ ছড়িয়ে দিন এরপর পরিবেশন করুন।

ছানার মিষ্টি

যা যা লাগবেঃ

  • দুধ- ২ লিটার

  • চিনি-২ কাপ

  • পানি-৪ কাপ

  • সিরকা-১ কাপ

  • লবণ- এক চিমটি

  • এলাচ – ৩/৪ টি

রন্ধন প্রনালিঃ

-প্রথমেই ভালভাবে ছানা তৈরি করে নিতে হবে। ২লিটার দুধ ব্যবহার করে আনুমানিক ২ কাপ ছানক পাওয়ক যাবে। প্রথমেই ২লিটার দুধ জ্বাল দিয়ে যখন হালকা ফুটতে শুরু করবে তার মধ্যে এক কাপ সিরকা ও এক কাপ পানি মিক্স করে দিতে হবে, এবার দুধ গুলকে ৩০-৪০মিনিট জ্বালিয়ে চুলা বন্ধ করে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখুন। এরপর ঢাকনা খুললে দেখা যাবে ছানা হয়ে গেছে। এখন ছানাটাকে ভালো করে নরমাল পানি দিয়ে ধুয়ে সুতি কাপড়ে মুড়ে ৩০ মিনিট রেখে পানি ঝরাতে হবে। মূলত পানি ঝরানোর পরেই কিন্তু ছানা মিষ্টির জন্য রেডি হবে।
-এবারে মিষ্টি তৈরি করার কাজ শুরু করে দিতে হবে। এর জন্য প্রথমেই ছানা ভালো করে মাখাতে হবে হাত দিয়ে।এমন ভাবে মাখাতে হবে যেন ছানা গুলো দিয়ে বল বানানোর সময় ভেঙে না যায়। এবার ছানা গুলো দিয়ে মিষ্টির সাইজের বল বানাতে হবে। এবার বল গুলো কে সিরায় দিতে হবে। মনে রাখবেন ছানাগুলো দিয়ে বল বানানোর পরে সিরাটা বানিয়ে নিবেন।
– সিরা বানানোর জন্য একটা প্যানে চিনি, পানি, এলাচ ও এক চিমটি লবণ দিয়ে ভালোভাবে জ্বাল করতে হবে। কয়েকবার বলক আসলে অর্থাৎ পানিটা যখন কিছুটা ঘন হয়ে আসবে তখন ছানার তৈরি বল গুলো সিরার মধ্যে ছাড়তে হবে। এবার বল গুলো দেওয়ার পরে ১০ মিনিট মিডিয়াম আচে চুলো জ্বাল দিতে হবে। ১০ মিনিট পরে জ্বাল দেয়া বন্ধ করে দিয়ে ৩-৪ ঘন্টা ঢাকনা দিয়ে ভালোভাবে ঢেকে রেখে দিতে হবে। এরপরই ছানাগুলো রসে ভরপুর হয়ে তৈরি হয়ে যাবে মজাদার মিষ্টি। এবার আপনি আপনার ইচ্ছেমত পরিবেশন করুন মজাদার ছানা মিষ্টি।

কলার মিল্কশেইক

কলার মিল্কশেক

যা যা লাগবেঃ

  • কলা- ২ টি

  • খেজুর ২-৪ টি অথবা চিনি স্বাদমত

  • কয়েকটি দারুচিনি

  • বরফের টুকরা

  • দুধ- দেড় কাপ ও

  • বাদাম কয়েকটি

রন্ধন প্রনালিঃ

-যদি ফুটানো দুধ দিতে চান তাহলে প্রথমে তা ঠাণ্ডা করে নিন। বাদাম কয়েক ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে তারপর এতে দিতে হবে। তারপর দুধটা ব্লেন্ডারে দিন। এখন খেজুর অথবা চিনি দিন। এতে দারুচিনি ছেড়ে দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিন।
-এরপর এতে কলা মিশিয়ে আবারো ভালোভাবে ব্লেন্ড করুন। তারপর বরফের টুকরো দিয়ে দিন। ব্যস, তৈরি হয় গেল কলার মিল্কশেক। এরপর গ্লাসে ঢেলে পরিবেশন করুন।